মাস্টারকার্ড
২০১৯ সাল থেকে ব্যবহৃত লোগো, ২০১৬ সাল থেকে বর্তমান প্রতীকটি ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে "Mastercard" শব্দটি নেই। | |
| ধরন | পাবলিক |
|---|---|
| |
| আইএসআইএন | US57636Q1040 |
| শিল্প | আর্থিক সেবা |
| প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৬৬ |
| সদরদপ্তর | ২০০০ পারচেজ স্ট্রিট, পারচেজ, নিউ ইয়র্ক , যুক্তরাষ্ট্র |
বাণিজ্য অঞ্চল | বিশ্বব্যাপী |
প্রধান ব্যক্তি |
|
| মার্কাসমূহ | |
| পরিষেবাসমূহ | |
| আয় | |
| মোট সম্পদ | |
| মোট ইকুইটি | |
কর্মীসংখ্যা | ৩৫,৩০০ (২০২৪) |
| ওয়েবসাইট | mastercard |
| পাদটীকা / তথ্যসূত্র [১][২] | |
মাস্টারকার্ড ইনক. (Mastercard Inc.), ১৯৭৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত MasterCard এবং ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত mastercard নামে লিখিত ছিল, একটি আমেরিকান বহুজাতিক পেমেন্ট কার্ড সেবা কর্পোরেশন। এর প্রধান কার্যালয় পারচেজ, নিউ ইয়র্ক-এ অবস্থিত।[৩] এই কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ ও অন্যান্য সম্পর্কিত সেবা (যেমন, ভ্রমণ সম্পর্কিত পেমেন্ট ও বুকিং) প্রদান করে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, মাস্টারকার্ডের প্রধান ব্যবসা হলো বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক ও কার্ডধারীর ব্যাংক বা ক্রেডিট ইউনিয়নের মধ্যে অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়া করা। মাস্টারকার্ড-ব্র্যান্ডের ডেবিট, ক্রেডিট এবং প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করে ক্রেতারা কেনাকাটা করলে, সেইসব ব্যাংকের মধ্যকার লেনদেন মাস্টারকার্ড সম্পন্ন করে। মাস্টারকার্ড ২০০৬ সাল থেকে পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি।
মাস্টারকার্ড (মূলত ইন্টারব্যাংক, পরে মাস্টার চার্জ)[৪] তৈরি হয়েছিল একাধিক ব্যাংক ও আঞ্চলিক ব্যাংককার্ড অ্যাসোসিয়েশনের একত্রিত উদ্যোগে। এর কারণ ছিল ব্যাংক অফ আমেরিকা কর্তৃক ইস্যুকৃত ব্যাংকআমেরিকার্ড, যা পরে ভিসা-তে রূপান্তরিত হয় এবং এখনো মাস্টারকার্ডের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। আইপিও-র আগে, মাস্টারকার্ড ওয়ার্ল্ডওয়াইড ছিল একটি সমবায় যেটি ২৫,০০০-এর বেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন, যারা মাস্টারকার্ড ব্র্যান্ডের কার্ড ইস্যু করত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ব্যাংকআমেরিকার্ড-এর আত্মপ্রকাশ ১৯৫৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এক বিশাল ব্যর্থতা ছিল,[৫] তবে ১৯৬১ সালের মে মাসের মধ্যে এটি লাভজনক হতে শুরু করে।[৬] ব্যাংক অফ আমেরিকা ইচ্ছাকৃতভাবে এই তথ্য গোপন রাখে এবং তখনকার সময়ে ব্যাপক নেতিবাচক ধারণা বজায় রাখে যাতে প্রতিযোগিতা রোধ করা যায়।[৭] এই কৌশল ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত সফল হয়, যখন ব্যাংকআমেরিকার্ড-এর লাভ এত বেশি হয়ে যায় যে গোপন রাখা আর সম্ভব হয় না।[৭] ১৯৬০ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত, যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র ১০টি নতুন ক্রেডিট কার্ড চালু হয়। কিন্তু ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সালের মধ্যে বড় ও ছোট বিভিন্ন ব্যাংক প্রায় ৪৪০টি নতুন ক্রেডিট কার্ড চালু করে।[৭] এই নতুন ব্যাংকগুলো দ্রুতই একত্রিত হয়ে আঞ্চলিক ব্যাংককার্ড অ্যাসোসিয়েশন গঠন করে।[৮]
তখন বেশিরভাগ ব্যাংক একত্রিত হওয়ার একটি কারণ ছিল, তখন ১৬টি অঙ্গরাজ্যে ব্যাংকগুলোর শাখার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা সীমিত ছিল, এবং ১৫টি অঙ্গরাজ্যে সম্পূর্ণভাবে শাখা ব্যাংকিং নিষিদ্ধ ছিল; শুধু ইউনিট ব্যাংকই অনুমোদিত ছিল।[৯] একটি ইউনিট ব্যাংক কেবল এক জায়গায় কাজ করতে পারত এবং খুব ছোটই থাকত।[৯] আঞ্চলিক ব্যাংককার্ড অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিলে, ইউনিট ব্যাংক দ্রুত তাদের আর্থিক পণ্যে ক্রেডিট কার্ড যুক্ত করতে পারত এবং স্কেল সুবিধা পেত। কারণ তারা কার্ড পরিচালনার মতো জটিল ব্যাক অফিস কাজগুলো অ্যাসোসিয়েশনে ছেড়ে দিতে পারত।[৮] এছাড়া, এই অ্যাসোসিয়েশনগুলো ইউনিট ব্যাংকগুলোর গ্রাহক ও মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক একত্রিত করত, ফলে ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক ও ব্যবসায়ী উভয়ের জন্যই ব্যবহারযোগ্য হত। এর আগে অনেক কার্ডই শুধু নিজের ব্যাংকের আশপাশে সীমিত ছিল বলে ব্যর্থ হয়েছিল।[৯]
১৯৬৬ সালে, মেরিন মিডল্যান্ড ব্যাংক-এর নির্বাহী সহ-সভাপতি কার্ল এইচ. হিঙ্কে, আরও কয়েকটি ব্যাংকের প্রতিনিধিদের বাফেলো, নিউ ইয়র্ক-এ ডেকেছিলেন।[১০][১১] মেরিন মিডল্যান্ড সদ্যই আপস্টেট নিউ ইয়র্কে তাদের নিজস্ব আঞ্চলিক ব্যাংককার্ড চালু করেছিল। কারণ ব্যাংক অফ আমেরিকা তাদের আঞ্চলিক ব্যাংকআমেরিকার্ড লাইসেন্স দেয়নি। কারণ মেরিন মিডল্যান্ড নাকি অনেক বড় ব্যাংক।[১২] বাফেলো মিটিংয়ের ফলে, কয়েকটি ব্যাংক ও আঞ্চলিক ব্যাংককার্ড অ্যাসোসিয়েশন একত্র হয়ে তৈরি হয় ইন্টারব্যাংকার্ড ইনক.[১০][১১] পরে এটির নাম হয় ইন্টারব্যাংক কার্ড অ্যাসোসিয়েশন (আইসিএ)।[৮] ১৯৬৭ সালের শেষে, আইসিএ-তে সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫০টি, এবং হিঙ্কে হয়েছিলেন আইসিএ-র চেয়ারম্যান।[১২] পরবর্তীতে ব্যাংক অফ আমেরিকাও মাস্টারকার্ডে যোগ দেয়।[১২] (একবিংশ শতাব্দীতে, ব্যাংক অফ আমেরিকা আবারও ব্যাংকআমেরিকার্ড নামটি মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ড হিসেবে চালু করে, যা এখনও বিদ্যমান।)
১৯৬৬ সালে ইন্টারব্যাংক ব্র্যান্ডিংয়ের প্রতীক ছিল কেবল একটি ছোট ছোট হাতের i, একটি বৃত্তের মধ্যে, যা কার্ডের ডানদিকের নিচে থাকত; কার্ডের বাকি ডিজাইন ছিল প্রত্যেক ব্যাংকের নিজস্ব ব্যাপার।[১৩] কিন্তু এই ক্ষুদ্র লোগোটি জাতীয় পর্যায়ে ব্র্যান্ড সচেতনতা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়, ফলে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকআমেরিকার্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়।[১৩] ১৯৬৯ সালে, ইন্টারব্যাংক "মাস্টার চার্জ: দ্য ইন্টারব্যাংক কার্ড" নামে একটি নতুন জাতীয় ব্র্যান্ড চালু করে। এটি ওয়েস্টার্ন স্টেটস ব্যাংককার্ড অ্যাসোসিয়েশনের দুইটি সংলগ্ন হলুদ ও কমলা বৃত্ত এবং কেনটাকির লুইসভিলের ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাংক কর্তৃক উদ্ভাবিত "মাস্টার চার্জ" নামের সংমিশ্রণ।[১৩]
ওই বছরেই, ফার্স্ট ন্যাশনাল সিটি ব্যাংক ইন্টারব্যাংকে যোগ দেয় এবং তাদের নিজস্ব এভরিথিং কার্ড মাস্টার চার্জে একীভূত করে।
১৯৬৮ সালে, আইসিএ এবং ইউরোকার্ড একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুরু করে। এর ফলে আইসিএ ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করে এবং ইউরোকার্ড-ও আইসিএ নেটওয়ার্কে গ্রহণযোগ্য হয়। যুক্তরাজ্যের অ্যাক্সেস কার্ড সিস্টেম ১৯৭২ সালে আইসিএ/ইউরোকার্ড জোটে যোগ দেয়।[১৪]

১৯৭৯ সালে, মাস্টার চার্জ: দ্য ইন্টারব্যাংক কার্ড-এর নাম পরিবর্তন করে মাস্টারকার্ড রাখা হয়।[১৪]
১৯৮৩ সালে, মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনক. প্রথম ব্যাংক হিসেবে তাদের কার্ড নিরাপত্তায় হোলোগ্রাম ব্যবহার শুরু করে।[১৫] তারা ১৯৮৫ সালে এটিএম নেটওয়ার্ক সিরাস অধিগ্রহণ করে।[১৬]
১৯৯৭ সালে মাস্টারকার্ড অ্যাক্সেস কার্ড অধিগ্রহণ করে; পরে অ্যাক্সেস ব্র্যান্ড বন্ধ হয়ে যায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ২০০২ সালে, মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল ইউরোপে ইন্টারন্যাশনাল-এর সঙ্গে একীভূত হয়, যার অংশ ছিল ইউরোকার্ড (১৯৯২ সাল থেকে)।[১৭] এই একীভূতের সময় এবং আইপিও-র জন্য মাস্টারকার্ড ডেলাওয়্যার কর্পোরেশন-এ পরিণত হয়।[১৮]
কোম্পানিটি, যা আগে ব্যাংকগুলোর একটি সমবায় হিসেবে সংগঠিত ছিল, ২৫ মে ২০০৬ সালে প্রাথমিক পাবলিক অফারিং (আইপিও)-এর মাধ্যমে ৯৫.৫ মিলিয়ন শেয়ার প্রতি শেয়ার ৩৯ ডলারে বিক্রি করে।[১৯] এই শেয়ার এনওয়াইএসই-এ 'MA' প্রতীকে লেনদেন হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে কোম্পানিটির বাজার মূলধন ছিল ৪৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।[২০] এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল ব্র্যান্ডের মূল্য ধরে রাখা এবং নিয়ন্ত্রক খরচ কমিয়ে আনা।[১৮]
২০১০ সালের আগস্টে, পুনরায় ব্র্যান্ডিং হওয়ার পর মাস্টারকার্ড ওয়ার্ল্ডওয়াইড যুক্তরাজ্যভিত্তিক পেমেন্ট প্রসেসিং এবং প্রতারণা/ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রদানকারী ডেটাক্যাশ অধিগ্রহণের মাধ্যমে তাদের ই-কমার্স সেবা সম্প্রসারণ করে।[২১][২২] ২০১২ সালের মার্চে মাস্টারকার্ড তাদের মোবাইল কনট্যাক্টলেস পেমেন্টস প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়, যার আওতায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বাজারও ছিল।[২৩]
২০১৪ সালের বসন্তে, মাস্টারকার্ড অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান পিনপয়েন্ট অধিগ্রহণ করে; তবে মূল্য প্রকাশ করা হয়নি।[২৪] ২০১৭ সালের আগস্টে মাস্টারকার্ড কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং বিষয়ক প্রযুক্তিপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ব্রাইটেরিয়ন অধিগ্রহণ করে।[২৫] ব্রাইটেরিয়ন একাধিক পেটেন্টের মালিক।[২৬]
২০২১ সালের এপ্রিল মাসে, মাস্টারকার্ড এমন একটি ক্যালকুলেটর তৈরি করে যা গ্রাহকদের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ পরিমাপ করে এবং তাদের জানাতে সাহায্য করে, তারা জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নে কীভাবে অবদান রাখছে।[২৭]
২০২২ সালের মার্চে, রাশিয়ার ইউক্রেইন আক্রমণের পর মাস্টারকার্ড ঘোষণা দেয়, তারা রাশিয়াতে সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত করবে।[২৮]
১৭ নভেম্বর ২০২৩-এ, চীনা সরকার মাস্টারকার্ডের চীনে স্থাপিত যৌথ উদ্যোগকে স্থানীয় ব্যাংক কার্ড ক্লিয়ারিং লাইসেন্স অনুমোদন করে।[২৯] ৯ মে ২০২৪-এর হিসাবে, এই যৌথ উদ্যোগ মাস্টারকার্ড ব্যাংক কার্ড ইস্যু করতে পারে, যা চীনা ইউয়ান-এ পেমেন্ট করে।[৩০]
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, মাস্টারকার্ড সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান রেকর্ডেড ফিউচার অধিগ্রহণ করে; এর জন্য ২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়।[৩১]
বায়োমেট্রিক মেটাল কার্ড
[সম্পাদনা]২০২৫ সালের মাঝামাঝি, মাস্টারকার্ড IDEX Pay প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক সুবিধাযুক্ত মেটাল ক্রেডিট কার্ড আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, দক্ষিণ কোরিয়ার নির্মাতা KONA I মাস্টারকার্ডের কাছ থেকে অনুমোদনের চিঠি (Letter of Approval) পায়, যাতে তারা বায়োমেট্রিক প্লাস্টিক (PVC) এবং মেটাল কার্ড উৎপাদন করতে পারে।[৩২][৩২] এসব কার্ডে আঙুলের ছাপ সেন্সর কার্ডের নিরাপদ চিপে সংযুক্ত থাকে। ফলে কার্ডধারী সরাসরি কার্ডেই যাচাইকরণ করতে পারে, বিশেষত ইন-স্টোর EMV পিন ছাড়াই লেনদেনে। উল্লেখ্য, বায়োমেট্রিক ডেটা কখনোই কার্ডের বাইরে যায় না।[৩২]
২০২৫ সালের জুলাইয়ে, বাংলাদেশের ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল), মাস্টারকার্ডের সঙ্গে অংশীদারিত্বে, “ওয়ার্ল্ড এলিট” স্তরের অধীনে বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ইস্যুকৃত বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড উন্মোচন করে। উদ্বোধন অনুষ্ঠান ৫ জুলাই ২০২৫ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়, সহ-স্পন্সর ছিল IDEX Biometrics, KONA I, এবং ইনফিনিয়ন টেকনোলজিস।[৩৩][৩৪] এই কার্ডে আঙুলের ছাপ দিয়ে EMV লেনদেনে যাচাইকরণ, কন্টাক্ট এবং কন্টাক্টলেস পেমেন্ট সুবিধা রয়েছে এবং মাস্টারকার্ডের ‘প্রাইসলেস স্পেশালস’ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ইস্যু করা হয়।[৩৩][৩৪]
মাস্টারকার্ডের বৈশ্বিক এফএকিউ অনুসারে, বায়োমেট্রিক পেমেন্ট কার্ড বর্তমানে ৭০টির বেশি বাজারে ইস্যু হয়েছে। এগুলো সাধারণ ইএমভি টার্মিনাল ও এটিএমে কাজ করে, নতুন কোনো অবকাঠামো লাগেনা এবং ব্যবহারকারী নিজেই রেজিস্ট্রেশন করতে পারে।[৩৫]
আর্থিক অবস্থা
[সম্পাদনা]| বছর | রাজস্ব (মার্কিন ডলার মিলিয়ন) |
অপারেটিং আয় (মার্কিন ডলার মিলিয়ন) |
শেয়ার মূল্য (মার্কিন ডলার) |
কর্মচারী সংখ্যা[যাচাইকরণ ব্যর্থ হয়েছে] |
|---|---|---|---|---|
| ২০০৫[যাচাইকরণ ব্যর্থ হয়েছে] | ২,৯৩৮ | ৩৯৩ | ||
| ২০০৬[যাচাইকরণ ব্যর্থ হয়েছে] | ৩,৩২৬ | ২২৯ | ৬.২০ | |
| ২০০৭[যাচাইকরণ ব্যর্থ হয়েছে] | ৪,০৬৮ | ১,১০৮ | ১৩.৬৫ | |
| ২০০৮[যাচাইকরণ ব্যর্থ হয়েছে] | ৪,৯৯২ | −৫৩৪ | ২০.৩৩ | |
| ২০০৯ | ৫,০৯৯ | ২,২৬০ | ১৭.৯৯ | ৫,১০০ |
| ২০১০ | ৫,৫৩৯ | ২,৭৫২ | ২২.০১ | ৫,৬০০ |
| ২০১১ | ৬,৭১৪ | ২,৭১৩ | ২৮.৭৩ | ৬,৭০০ |
| ২০১২ | ৭,৩৯১ | ৩,৯৩৭ | ৪১.৫৮ | ৭,৫০০ |
| ২০১৩ | ৮,৩১২ | ৪,৫০৩ | ৫৯.৩৪ | ৮,২০০ |
| ২০১৪ | ৯,৪৪১ | ৫,১০৬ | ৭৫.৩৩ | ১০,৩০০ |
| ২০১৫ | ৯,৬৬৭ | ৫,০৭৮ | ৯০.৬২ | ১১,৩০০ |
| ২০১৬ | ১০,৭৭৬ | ৫,৭৬১ | ৯৪.৫০ | ১১,৯০০ |
| ২০১৭ | ১২,৪৯৭ | ৬,৬২২ | ১২৬.৫৪ | ১৩,৪০০ |
| ২০১৮ | ১৪,৯৫০ | ৭,২৮২ | ১৮৬.১৬ | ১৪,৮০০ |
| ২০১৯ | ১৬,৮৮৩ | ৯,৬৬৪ | ৩০০.৭৪ | ১৮,৬০০ |
| ২০২০ | ১৫,৩০১ | ৮,০৮১ | ৩৭০.০০ | ২১,০০০ |
| ২০২১ | ১৮,৮৮৪ | ১০,০৮২ | ৩৫৪.৮৩ | ২৪,০০০ |
| ২০২২ | ২২,২৩৭ | ১২,২৬৪ | ৩৪৭.৭৩ | ২৯,৯০০ |
| ২০২৩ | ২৫,০৯৮ | ১৪,০০৮ | ৩৩,৪০০ |
২০২৪ সালের হিসেব অনুযায়ী, মাস্টারকার্ড রাজস্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর ফরচুন ৫০০ তালিকায় ১৬৪তম স্থানে ছিল।[৩৭]
বাজারে ক্ষমতা
[সম্পাদনা]একটি পেমেন্ট প্রসেসিং নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার সময় বিভিন্ন পক্ষ জড়িত থাকার কারণে (যেমন, গ্রাহক ও তার ব্যাংক এবং মার্চেন্ট ও তার ব্যাংক), প্রতিযোগিতাবিরোধী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে।[১৮]
খুব কম কোম্পানি আছে যারা যুক্তরাষ্ট্র এবং বিদেশে মাস্টারকার্ডের মতো এত বেশি অ্যান্টিট্রাস্ট মামলার সম্মুখীন হয়েছে।[৩৮]
যুক্তরাষ্ট্র
[সম্পাদনা]১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে মাস্টারকার্ড এবং ভিসা, আমেরিকান এক্সপ্রেস-এর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে সমান্তরাল বর্জনের মাধ্যমে কাজ করেছিল। মাস্টারকার্ড তাদের চুক্তিতে এক্সক্লুসিভিটি ধারা এবং ব্ল্যাকলিস্ট ব্যবহার করেছিল, যাতে ব্যাংকগুলো আমেরিকান এক্সপ্রেসের সঙ্গে ব্যবসা করতে না পারে। এসব বাদ দেয়ার ক্লজ এবং অন্যান্য লিখিত প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ তাদের নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপে মাস্টারকার্ড ও ভিসার বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিল।[৩৯] ডিসকভার-ও অনুরূপ কারণে মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল।[৩৮]
মাস্টারকার্ড ও ভিসা, উভয়েই ১৯৯৬ সালে ডেবিট কার্ডের সুইপ ফি নির্ধারণ নিয়ে ক্লাস-অ্যাকশন মামলায় প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদান করেছে।[৪০] এই মামলায় ওয়ালমার্ট, সিয়ার্স, রোবাক অ্যান্ড কো., এবং সেফওয়ে-এর মতো বড় খুচরা প্রতিষ্ঠান বাদী ছিল।[৪১]
১৯৯৬ সালে, প্রায় ৪০ লাখ মার্চেন্ট মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে মামলা করেছিল, কারণ তারা ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করতে চাইলে বাধ্যতামূলকভাবে ডেবিট কার্ডও গ্রহণ করতে হতো এবং সেইসঙ্গে সুইপ ফিও বেড়ে গিয়েছিল। এই মামলার নিষ্পত্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে, বহু বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ দিয়ে। এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অ্যান্টিট্রাস্ট ক্ষতিপূরণ ছিল।[৩৮]
১৯৯৮ সালে, মার্কিন বিচার বিভাগ মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে মামলা করে, কারণ তাদের নিয়ম ছিল, তাদের ইস্যুকৃত ব্যাংকগুলো আমেরিকান এক্সপ্রেস বা ডিসকভার-এর সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না। বিচার বিভাগ ২০০১ সালে মামলায় জয়লাভ করে এবং রায় আপিলেও বহাল থাকে। আমেরিকান এক্সপ্রেসও পরে মামলা করে।[৩৮]
২৩ আগস্ট ২০০১-এ, মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনক.-এর বিরুদ্ধে ফ্লোরিডা ডেসিপটিভ অ্যান্ড আনফেয়ার ট্রেড প্র্যাকটিসেস অ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা হয়।[৪২]
১৫ নভেম্বর ২০০৪-এ, মাস্টারকার্ড ইনক. আমেরিকান এক্সপ্রেস-এর সঙ্গে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোকে বাধা দেওয়ার জন্য প্রতিযোগিতাবিরোধী কার্যকলাপের কারণে ক্ষতিপূরণ দেয়।[৪৩] এই মামলায় মাস্টারকার্ডকে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছিল।[৪৪]
সুইপ ফি নির্ধারণ এবং মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট নিষেধাজ্ঞা
[সম্পাদনা]২৭ নভেম্বর, ২০১২ তারিখে, একজন ফেডারেল বিচারক একটি প্রস্তাবিত সমঝোতার প্রাথমিক অনুমোদন দেন, যা ২০০৫ সালে মাস্টারকার্ড এবং ভিসার বিরুদ্ধে মার্চেন্ট ও বাণিজ্যিক সংগঠনগুলো দায়ের করা একটি শ্রেণি-অ্যাকশন মামলার জন্য দাখিল হয়েছিল।[৪৫] মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল কারণ মাস্টারকার্ড ও ভিসার বিরুদ্ধে মূল্য নির্ধারণের অভিযোগ ছিল। শ্রেণি মামলার প্রায় এক চতুর্থাংশ বাদী সমঝোতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সমালোচকরা আপত্তি তুলেছেন, কারণ এই সমঝোতায় এমন শর্ত রাখা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে মামলা করা যাবে না এবং ব্যবসায়ীরা সমঝোতার অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন না।[৪৬]
বাদীরা অভিযোগ করেন, ভিসা ইনক. ও মাস্টারকার্ড মার্চেন্টদের থেকে আদায়কৃত ইন্টারচেঞ্জ ফি (যাকে সুইপ ফি-ও বলা হয়) একতরফাভাবে নির্ধারণ করেছেন। মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছিল, আসামিরা ব্যবসায়ীদের এভাবে বাধা দেন, যাতে তারা ক্রেতাদেরকে কম খরচের পেমেন্ট পদ্ধতি যেমন কম খরচের কার্ড, নগদ টাকা, বা চেক ব্যবহারে উৎসাহিত করতে না পারেন।[৪৬]
২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে ৬.২৪ বিলিয়ন ডলারের একটি সমঝোতার প্রাথমিক অনুমোদন মেলে।[৪৭] ২০১৯ সালে ৫.৫৪ বিলিয়ন ডলারের আরেকটি সমঝোতা অনুমোদিত হয়। কিছু ব্যবসায়ী এই সমঝোতার বিরুদ্ধে আপিল করেন এবং তাদের শুনানি হয়। মামলাটি এখনও চলমান আছে অক্টোবর ২০২২-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ]।[৪৮]
যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগে প্রতিযোগিতা বিরোধী মামলার নিষ্পত্তি
[সম্পাদনা]২০১০ সালের অক্টোবরে, মাস্টারকার্ড ও ভিসা আরেকটি প্রতিযোগিতা বিরোধী মামলায় যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছায়। কোম্পানি দুটি সম্মত হয়, যে তাদের লোগো প্রদর্শনকারী ব্যবসায়ীরা চাইলে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের কার্ড গ্রহণ করতে না-ও পারেন (কারণ ইন্টারচেঞ্জ ফি-এর পরিমাণ আলাদা), কিংবা সস্তা কার্ড ব্যবহারের জন্য ক্রেতাদের ছাড় দিতে পারেন।[৪৯]
এটিএম অপারেটর
[সম্পাদনা]মাস্টারকার্ড, ভিসা-এর সঙ্গে একত্রে, একটি শ্রেণি-অ্যাকশন মামলায় অভিযুক্ত হয়েছে, যেখানে এটিএম অপারেটররা দাবি করেছেন যে, ক্রেডিট কার্ড নেটওয়ার্কের নিয়মাবলী এটিএম এক্সেস ফি নির্ধারণ করে রাখে। মামলাটিতে বলা হয়েছে, এটি ফেডারেল আইনের অধীনে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের প্রতিবন্ধকতা। এই মামলা করেছে ন্যাশনাল এটিএম কাউন্সিল এবং স্বতন্ত্র এটিএম অপারেটররা। এখানে মূল অভিযোগ হলো, মাস্টারকার্ড ও ভিসার নেটওয়ার্ক বিধিমালার কারণে, অপারেটররা ভিসা বা মাস্টারকার্ডের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন পিন-ডেবিট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম খরচের লেনদেনের জন্য কম ফি নিতে পারে না। মামলাটিতে বলা হয়েছে, এই ফি নির্ধারণের কারণে কৃত্রিমভাবে এটিএম ব্যবহারে গ্রাহকদের খরচ বেড়ে যায়, অপারেটরদের আয় কমে যায় এবং এটি শেরম্যান আইনের বিরুদ্ধে। বাদী পক্ষের আইনজীবী জনাথন রুবিন বলেন, "ভিসা ও মাস্টারকার্ড হলো মার্কিন ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি চক্রের নেতৃত্বদাতা, সংগঠক ও কার্যকরক, যারা এটিএম এক্সেস ফি নির্ধারণ করে প্রতিযোগিতা ঠেকিয়ে রাখছে।"[৫০]
ওশেনিয়া
[সম্পাদনা]২০০৩ সালে, অস্ট্রেলিয়ান রিজার্ভ ব্যাংক ইন্টারচেঞ্জ ফি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দেয়, যা আগে প্রতি লেনদেনে প্রায় ০.৯৫% ছিল, সেটি কমিয়ে আনুমানিক ০.৫% করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এর একটি উল্লেখযোগ্য ফলাফল হলো, রিওয়ার্ড কার্ডের ব্যবহার কমে গেছে এবং ডেবিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে। অস্ট্রেলিয়া "নো সারচার্জ রুল" নিষিদ্ধ করেছে, যা ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মতো ক্রেডিট কার্ড নেটওয়ার্ক দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল—যাতে মার্চেন্টরা কার্ড ব্যবহারকারীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নিতে না পারে। সারচার্জ দিলে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট কভার করা যায়, এমনকি তার চেয়েও বেশি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু এতে গ্রাহক কার্ড ব্যবহারে অনীহা প্রকাশ করতে পারে। অস্ট্রেলিয়া ডেবিট কার্ডের ইন্টারচেঞ্জ রেটেও পরিবর্তন এনেছে এবং পুরোপুরি ইন্টারচেঞ্জ ফি বাতিল করার বিষয়েও ভাবছে।
নভেম্বর ২০০৬ পর্যন্ত, নিউজিল্যান্ডও একই ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করছিল, যেখানে কমার্স কমিশন ভিসা ও মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে মূল্য নির্ধারণের অভিযোগে মামলা করেছিল। নিউজিল্যান্ডে, ব্যবসায়ীদের প্রতি ক্রেডিট কার্ড লেনদেনে ১.৮% ফি দিতে হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
ইউরোপ
[সম্পাদনা]ইউরোপীয় ইউনিয়ন বারবার মাস্টারকার্ডকে একচেটিয়া ব্যবসায়িক আচরণের জন্য সমালোচনা করেছে। ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে, মাস্টারকার্ড একটি প্রতিযোগিতা বিরোধী মামলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছে এবং ডেবিট কার্ডের সুইপ ফি কেনাকাটার মূল্যের ০.২ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয়।[৫১] ২০১০ সালের ডিসেম্বরে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা, সেপা-র জন্য নতুন ইউরোপীয় ডেবিট কার্ড তৈরি করে ভিসা/মাস্টারকার্ডের যৌথ আধিপত্য ভাঙার আহ্বান জানান।[৫২]
উইকিলিকস প্রকাশিত নথিতে দেখা যায়, আমেরিকান কর্তৃপক্ষ রাশিয়াতে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের স্বার্থ রক্ষায় চাপ সৃষ্টি করেছে।[৫৩][৫৪] এর প্রতিক্রিয়ায়, মাস্টারকার্ড উইকিলিকস-এ অর্থ প্রদানে বাধা দেয়। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যে ইউরোপীয় নাগরিকদের অর্থ ইউরোপীয় কোম্পানিতে পাঠানোর ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্র বাধা দিতে পারে। তারা ইউরোপের পেমেন্ট সিস্টেমে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের আধিপত্য আরও কমানোর আহ্বান জানান।[৫৫]
২০১৩ সালে, মাস্টারকার্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের তদন্তের আওতায় আসে। কারণ তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কার্ড গ্রহণে বেশি ফি আদায় করছিল, যা ইউরোপীয় কার্ডের তুলনায় বেশি ছিল। এছাড়া আরও কিছু প্রতিযোগিতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল, যা ই-কমার্স ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। প্রিমিয়াম ক্রেডিট কার্ডের সাথেও উচ্চ ফি জড়িত ছিল। ইইউ-এর প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, নন-ক্যাশ পেমেন্টের ব্যবহার বাড়ার কারণে এই ফি নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বেগ রয়েছে। মাস্টারকার্ডকে ২০০৭ সালে ইউরোপীয় কমিশনের এক রায়ে ইউরোপের ভেতরে সীমান্তপार লেনদেনে ফি নেয়া নিষিদ্ধ করা হয়।[৫৬] ইউরোপীয় কমিশন আরও জানায়, তারা বিভিন্ন দেশের মধ্যে ফি-তে বড় পার্থক্য নিয়েও তদন্ত করছে। যেমন, নেদারল্যান্ডসে ৫০ ইউরো লেনদেনের জন্য ০.১০ ইউরো ফি নেওয়া হয়, কিন্তু পোল্যান্ডে সেই পরিমাণ আটগুণ বেশি। কমিশন বলে, মাস্টারকার্ডের এমন কিছু নিয়ম রয়েছে, যার ফলে ব্যবসায়ীরা ইউরোপের অন্য কোনো দেশে ভালো শর্ত পেলে সেটি নিতে পারে না—এটি প্রতিযোগিতা বিরোধী আইনের পরিপন্থী হতে পারে।
ইউরোপীয় কনজিউমার অর্গানাইজেশন (BEUC) মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। BEUC বলেছে, আন্তঃব্যাংক ফি দাম বাড়িয়ে দেয় এবং ভোক্তাদের ক্ষতি করে। BEUC-এর মহাপরিচালক মনিক গোয়েন্স বলেছেন, "ফলে, সব ভোক্তাই ক্ষতিগ্রস্ত হন, অথচ এই পদ্ধতিতে শেষ পর্যন্ত কার্ড কোম্পানি ও ইস্যুকারী ব্যাংকই লাভবান হয়।"[৫৬]
২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, ইউরোপীয় কমিশন মাস্টারকার্ডকে অ্যান্টিট্রাস্ট আইনের লঙ্ঘনের দায়ে €৫৭০,৫৬৬,০০০ জরিমানা করে। কারণ ছিল, মাস্টারকার্ডের কিছু নিয়ম বিক্রেতাদের জন্য সীমান্ত-পার কার্ড পেমেন্ট সেবায় বাধা সৃষ্টি করছিল। মাস্টারকার্ডের নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাকোয়ারিং ব্যাংকগুলোকে সেই দেশটির ইন্টারচেঞ্জ ফি অনুসরণ করতে বাধ্য করা হতো, যেখানে দোকানটি অবস্থিত। কমিশন জানায়, মাস্টারকার্ডের এই নিয়মের কারণে বিক্রেতারা কম ফি'র সুবিধা নিতে পারছিল না এবং ব্যাংকগুলোর মধ্যে আন্তঃদেশীয় প্রতিযোগিতায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছিল, যা ইইউ অ্যান্টিট্রাস্ট নিয়ম লঙ্ঘন করে। ২০১৫ সালে ইন্টারচেঞ্জ ফি রেগুলেশন চালু হলে এবং মাস্টারকার্ড তাদের নিয়ম সংশোধন করলে এই অ্যান্টিট্রাস্ট লঙ্ঘন বন্ধ হয়। নতুন এই আইন ইন্টারচেঞ্জ ফি-তে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে। তবে, মাস্টারকার্ড তদন্তে সহযোগিতা এবং সত্যতা স্বীকার করায় কমিশন তাদের জরিমানায় ১০% ছাড় দেয়।[৫৭]
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, ব্রিটিশ পেমেন্ট সিস্টেমস রেগুলেটর-এর তদন্তের পর, মাস্টারকার্ড স্বীকার করে যে তারা প্রিপেইড কার্ড সংক্রান্ত প্রতিযোগিতা আইনের নিয়ম ভেঙেছে।[৫৮]
অন্যান্য বিষয়সমূহ
[সম্পাদনা]যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টারনেট জুয়া লেনদেন
[সম্পাদনা]১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে অনলাইন জুয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই মাস্টারকার্ড, ভিসা এবং অন্যান্য ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে অনলাইন জুয়ার অ্যাকাউন্টে অর্থ যোগ করা হয়ে আসছে।[৫৯]
২০০০ সালের ২০ মার্চ, ইউনাইটেড স্টেটস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অফ লুইজিয়ানা Re: MasterCard International Inc. মামলায় বিভিন্ন ইন্টারনেট ক্যাসিনোর সঙ্গে মাস্টারকার্ডের অবৈধ লেনদেন নিয়ে একাধিক মামলা পর্যালোচনা করে। বাদীরা অভিযোগ করে, মাস্টারকার্ড ফেডারেল ওয়্যার অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অনলাইন জুয়া সাইটে ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করে।[৬০]
২০০১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির আদালতের রায়ে, যা পরে ইউনাইটেড স্টেটস কোর্ট অফ আপিলস ফর দ্য ফিফথ সার্কিট-এও বহাল থাকে, আদালত মাস্টারকার্ডের পক্ষেই রায় দেয়। ফিফথ সার্কিট পরিষ্কারভাবে জানায়, ওয়্যার অ্যাক্ট কেবলমাত্র "ক্রীড়া ইভেন্ট বা প্রতিযোগিতা" সম্পর্কিত জুয়ায় প্রযোজ্য। তাই, আদালত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি যে মাস্টারকার্ড ওয়্যার অ্যাক্ট লঙ্ঘন করেছে।[৬১]
২০১৮ সালের ১৪ মে PASPA আইন বাতিল হলে, মাস্টারকার্ড তাদের সদস্য ব্যাংকগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করে। এতে পরিষ্কার বলা হয়, জুয়ার বাজি ধরার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রাজ্যভিত্তিক অবস্থান বিবেচনা করতে হবে, ব্যাংকের অবস্থান নয়। বিভিন্ন রাজ্য আইন অনুযায়ী, স্পোর্টস বেটিং প্রদানকারীদের ইন্টারনেট জিওলোকেশন ব্যবহার করে গ্রাহকের প্রকৃত অবস্থান নিশ্চিত করতে হয় বাজি গ্রহণের আগে।[৬২] ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিউনিটি ব্যাংকার্স অফ আমেরিকা বিশেষভাবে নতুন অনলাইন জুয়া মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড সম্পর্কে তথ্য চেয়েছে।[৬৩] মাস্টারকার্ড অনলাইন জুয়ার জন্য MCC ৭৮০১ নির্ধারণ করেছে। এই কোডটি সরকারি লটারি (৭৮০০) এবং সরকারি অনুমোদিত ঘোড়দৌড়/কুকুর দৌড় ট্র্যাক (৭৮০২)-এর থেকে আলাদা।[৬৪]
উইকিলিকস-এ পেমেন্ট বন্ধ
[সম্পাদনা]২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে, মাস্টারকার্ড উইকিলিকস-এ সব ধরনের পেমেন্ট বন্ধ করে দেয়। কারণ তাদের দাবি ছিল, উইকিলিকস অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত।[৬৫] এর প্রতিবাদে অ্যানোনিমাস নামের অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের একটি দল ডিনায়াল-অফ-সার্ভিস অ্যাটাক করে; ফলে, ৮-৯ ডিসেম্বর ২০১০ মাস্টারকার্ডের ওয়েবসাইটে ডাউনটাইম দেখা যায়।[৬৬] ৯ ডিসেম্বর, মাস্টারকার্ডের সার্ভারে বড় আকারের আক্রমণ হয়[৬৭] — অপারেশন অ্যাভেঞ্জ আসাঞ্জ-এর অংশ হিসেবে, কারণ মাস্টারকার্ড উইকিলিকসে পেমেন্ট বন্ধ করেছিল। ওই আক্রমণের সময়, আক্রমণকারীরা তৈরি করা ফিশিং সাইটের মাধ্যমে হাজার হাজার ক্রেডিট কার্ডের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়।[৬৮] তবে, মাস্টারকার্ড জানায়, কোনো অ্যাকাউন্টের তথ্য "ঝুঁকির মধ্যে পড়েনি"।[৬৯] উইকিলিকসের মুখপাত্র জানায়, "আমরা এসব আক্রমণকে না সমর্থন করি, না নিন্দা করি।"[৭০] জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার নাভি পিল্লাই বলেন, উইকিলিকসে দান পাঠানোর জন্য ক্রেডিট লাইন বন্ধ করা "তথ্য প্রকাশে সেন্সর করার চেষ্টা হিসেবেও ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, ফলে উইকিলিকসের মত প্রকাশের অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে"।[৭১]
২০১১ সালের জুলাইয়ে, আইসল্যান্ড-ভিত্তিক আইটি কোম্পানি ডেটাসেল, যারা উইকিলিকসের পক্ষে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড অনুদান নেয়ার ব্যবস্থা করত, জানায় তারা ভিসা ইউরোপ ও মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে,[৭২] এবং দুই কোম্পানিকে আবারও উইকিলিকসে পেমেন্ট চালু করতে বাধ্য করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।[৭৩] এর আগে, ২০১০ সালের ৮ ডিসেম্বর, ডেটাসেলের সিইও আন্দ্রেয়াস ফিঙ্ক বলেন, "উইকিলিকসে পেমেন্ট স্থগিত করা গ্রাহকদের সঙ্গে চুক্তি লঙ্ঘন"।[৭৪][৭৫] ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ডেটাসেল ইউরোপীয় কমিশনে অভিযোগ দাখিল করে জানায়, ভিসা ও মাস্টারকার্ড ডেটাসেলের পেমেন্ট কার্ড নেটওয়ার্কে প্রবেশ বন্ধ করে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।[৭৬] ২০১২ সালের ১২ জুলাই, রেইকিয়াভিক আদালত রায় দেন যে ভালিতর, যা ভিসা ও মাস্টারকার্ড-এর আইসল্যান্ডের অংশীদার, তাদের ১৪ দিনের মধ্যে দান প্রক্রিয়াকরণ শুরু করতে হবে।[৭৭] যদি তারা এ সময়ের মধ্যে গেটওয়ে না খোলে, তাহলে প্রতিদিন তাদের ৮০০,০০০ আইসল্যান্ডিক ক্রোনা (প্রায় $৬,০০০) জরিমানা দিতে হবে। ভালিতর-কে ডাটাসেল-এর মামলা পরিচালনার খরচ হিসেবে ১,৫০০,০০০ আইসল্যান্ডিক ক্রোনা দিতে বলা হয়।[৭৮][৭৯]
নাইজেরিয়ান জাতীয় পরিচয়পত্রে কর্পোরেট ব্র্যান্ডিং
[সম্পাদনা]২০১৪ সালে, মাস্টারকার্ড এবং নাইজেরিয়ান সরকার-এর মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী, জাতীয় পরিচয় ব্যবস্থাপনা কমিশনের মাধ্যমে, নাইজেরিয়ার নতুন আইডি কার্ড-এ মাস্টারকার্ডের লোগো যোগ করা হয়। কার্ডটিতে ব্যক্তিগত ডাটাবেসের তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং এটি পেমেন্ট কার্ড হিসেবেও কাজ করে, ফলে যেকোনো লেনদেন সরাসরি ব্যক্তির সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।[৮০] নাগরিক অধিকার সংস্থা সমালোচনা করে জানায়, এটি "একজন নাইজেরিয়ান নাগরিকের ওপর একটি আমেরিকান কোম্পানির মালিকানা মুদ্রার মতো... যা আফ্রিকান দাসদের গায়ে লোগো লাগানোর ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।"[৮১]
ক্রেডিট কার্ড তথ্য বিক্রি
[সম্পাদনা]২০১৮ সালে, ব্লুমবার্গ নিউজ জানায়, গুগল তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারীদের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য পেতে মাস্টারকার্ডকে লক্ষ লক্ষ ডলার দেয়। এই চুক্তিটি গোপনে সম্পন্ন হয়েছিল, জনসমক্ষে ঘোষণা করা হয়নি।[৮২][৮৩]
ভারতে নিয়ন্ত্রক নিষেধাজ্ঞা
[সম্পাদনা]২০২১ সালের ১৪ জুলাই, ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক (আরবিআই) মাস্টারকার্ড-কে ভারতে নতুন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করার ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয়। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় ২২ জুলাই ২০২১ থেকে। কারণ মাস্টারকার্ড ডেটা লোকালাইজেশন ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত আরবিআই-এর ৬ এপ্রিল ২০১৮-এর নিয়ম লঙ্ঘন করেছিল, যা পেমেন্ট ও সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭ (পিএসএস অ্যাক্ট)-এর অধীনে নির্ধারিত। এই নিষেধাজ্ঞা ইতোমধ্যে ইস্যুকৃত এবং সচল কার্ডে প্রভাব ফেলে না। মাস্টারকার্ড ভারতের তৃতীয় বড় পেমেন্ট সিস্টেম প্রদানকারী যারা এই ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছে, আমেরিকান এক্সপ্রেস এবং ডাইনার্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল-এর পর।[৮৪] ২০২২ সালের ১৬ জুন, আরবিআই-র দেওয়া ব্যবসায়িক নিষেধাজ্ঞা সঙ্গে সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়।[৮৫][৮৬]
ভিয়েতনামে নিয়ন্ত্রক নিষেধাজ্ঞা
[সম্পাদনা]২০১৮ সালে, ভিয়েতনামের স্টেট ব্যাংক (এসবিভি) বিভিন্ন ব্যাংককে মাস্টারকার্ড-এর নতুন কার্ড ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে অনুরোধ করে। কারণ মাস্টারকার্ড আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নিয়ম মানেনি—বিশেষ করে, তারা ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অব ভিয়েতনাম (NAPAS)-এর মাধ্যমে লেনদেন পরিচালনা করেনি। ২০২০ সালে মাস্টারকার্ড ভিয়েতনামের নিয়ম মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।[৮৭][৮৮][৮৯] যদিও ভিয়েতনামে মাস্টারকার্ড ব্যবহার ব্যাপক, কিছু সীমাবদ্ধতা এখনো রয়েছে: কিছু ভিয়েতনামী ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন মাস্টারকার্ড গ্রহণ করে না।[৯০][৯১][৯২] ভিয়েতনামের সব এটিএম-এ মাস্টারকার্ড দিয়ে নগদ তুলতে সবসময় সুবিধা পাওয়া যায় না।[৯৩] কিছু মাস্টারকার্ড ব্যবহারকারী সেখানে অপর্যাপ্ত গ্রাহক সেবার অভিযোগ করেছেন।[৯৪][৯৫]
প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তু সীমাবদ্ধতা
[সম্পাদনা]ডিসেম্বর ২০২০-তে, মাস্টারকার্ড তাদের ক্রেডিট কার্ড পর্নহাব, একটি অনলাইন পর্নোগ্রাফি সাইটে ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।[৯৬][৯৭]
এপ্রিল ২০২৩-এ, দ্য হিল জানায়, মাস্টারকার্ড প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তুতে তাদের নীতিমালা হালনাগাদ করেছে। এখন এসব সাইটে বিক্রেতাদের জন্য পোস্ট দেওয়ার আগে বয়স ও পরিচয় যাচাই এবং বিষয়বস্তুর পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।[৯৮][৯৯] এই নতুন নীতিমালা অক্টোবর ২০২১-এ কার্যকর হয়।[৯৯]
৩০ আগস্ট ২০২৩-এ, আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) ও আরও কয়েকটি সংগঠন একত্রে ফেডারেল ট্রেড কমিশনে একটি অভিযোগ দাখিল করে। তারা দাবি করে, মাস্টারকার্ডের নীতিমালা এফটিসি অ্যাক্টের ৫ ধারা অনুযায়ী অন্যায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম।[১০০][১০১]
পণ্যসমূহ
[সম্পাদনা]ভৌগোলিক অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে, মাস্টারকার্ড ইস্যুকারীরা বিভিন্ন স্তরে কার্ড ইস্যু করতে পারে, সবচেয়ে নিচ থেকে সবচেয়ে উপরের দিকে:
ক্রেডিট কার্ড:
- ট্র্যাডিশনাল/ক্লাসিক/স্ট্যান্ডার্ড
- গোল্ড/টাইটানিয়াম
- ডায়মন্ড
- প্ল্যাটিনাম
- ওয়ার্ল্ড
- ওয়ার্ল্ড রিওয়ার্ডস
- ওয়ার্ল্ড ব্ল্যাক এডিশন
- ব্ল্যাক
- ওয়ার্ল্ড এলিট[১০২]
ডেবিট কার্ড:
- ট্র্যাডিশনাল/ক্লাসিক/স্ট্যান্ডার্ড
- গোল্ড/টাইটানিয়াম
- ডায়মন্ড
- প্ল্যাটিনাম
- ওয়ার্ল্ড
- ওয়ার্ল্ড ব্ল্যাক এডিশন
- ব্ল্যাক
- ওয়ার্ল্ড এলিট
একটি ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বে, যারা ব্যক্তিগতকৃত অনলাইন কেনাকাটায় বিশেষজ্ঞ, মাস্টারকার্ড ১৬ এপ্রিল ২০১০-এ একটি ওয়েব শপিং মল চালু করে। তাদের দাবি, এই প্ল্যাটফর্মে কার্ডধারীরা কী কিনতে পারেন তা অনেকটাই নির্ভুলভাবে পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব।[১০৩]
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, মাস্টারকার্ড অ্যাপল-এর সঙ্গে কাজ করে নতুন আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচে অ্যাপল পে নামে একটি নতুন মোবাইল ওয়ালেট ফিচার যুক্ত করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের মাস্টারকার্ড এবং অন্যান্য ক্রেডিট কার্ড সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।[১০৪]
২০২০ সালের মে মাসে, মাস্টারকার্ড ঘোষণা দেয় মাস্টারকার্ড ট্র্যাক বিজনেস পেমেন্ট সার্ভিস চালু হচ্ছে। এই সার্ভিসটি ব্যবসায়িক ক্রেতা ও সরবরাহকারীর মধ্যে লেনদেন সহজ করবে। তাদের গ্লোবাল কমার্শিয়াল প্রোডাক্টস বিভাগের প্রধান জানান, এটি সরবরাহকারীদের জন্য একটি ডিরেক্টরি তৈরি করবে। এতে তারা তাদের পেমেন্ট নিয়ম প্রকাশ করতে পারবে, যাতে তারা পেমেন্ট গ্রহণের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে পারে এবং ক্রেতারাও সহজেই তাদের খুঁজে নিতে ও তাদের শর্তাবলি জানতে পারে।[১০৫]
২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি, মাস্টারকার্ড ক্রিপ্টোকারেন্সি-তে সমর্থনের ঘোষণা দেয়। তাদের পরিকল্পনা, ২০২১ সালের মধ্যেই কিছু নির্বাচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি সরাসরি তাদের নেটওয়ার্কে সমর্থন পাবে। মাস্টারকার্ডের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, ডিজিটাল সম্পদ ব্যবহার করে পেমেন্টের সুবিধা নিশ্চিত করা। তবে, ক্রিপ্টো সম্পদগুলোর যথেষ্ট স্থিতিশীলতা থাকতে হবে যেন তা খরচের জন্য উপযুক্ত হয়, শুধু বিনিয়োগের জন্য নয়।[১০৬][১০৭]
অক্টোবর ২০২১-এ, মাস্টারকার্ড ঘোষণা দেয় যে বাক্ট-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, তাদের নেটওয়ার্কের যেকোনো ব্যাংক বা মার্চেন্ট দ্রুতই ক্রিপ্টো সেবা দিতে পারবে।[১০৮]
২০২২ সালের জুনে মাস্টারকার্ড জানায়, এখন থেকে বিভিন্ন এনএফটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্ডধারীরা সরাসরি এনএফটি (NFT) কিনতে পারবেন।[১০৯]
প্রিপেইড ডেবিট কার্ড
[সম্পাদনা]মাস্টারকার্ড, কোমেরিকা ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ২০০৮ সালে একত্রে ডাইরেক্ট এক্সপ্রেস ডেবিট মাস্টারকার্ড চালু করে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার ব্যাংকবিহীন ব্যক্তিদের জন্য ইলেকট্রনিক অর্থপ্রদান করতে এক্সপ্রেস ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে। এই ডেবিট কার্ডের ইস্যুয়িং ব্যাংক হলো কোমেরিকা ব্যাংক।
ডাইরেক্ট এক্সপ্রেস কার্ড ব্যবহারকারীরা বেশ কিছু ভোক্তা সুরক্ষা সুবিধা পান।
২০১৩ সালের জুন মাসে, মাস্টারকার্ড ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব ঘোষণা করে। এর ফলে এক্সিকিউটিভ ক্লাবের সদস্যদের জন্য মাল্টি-কারেন্সি ক্যাশ পাসপোর্ট চালু হয়, যেখানে সদস্যরা অতিরিক্ত পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন এবং একাধিক মুদ্রায় পেমেন্ট করতে পারবেন। এই পাসপোর্ট কার্ডে একসাথে দশটি মুদ্রা (যেমন, ইউরো, পাউন্ড, মার্কিন ডলার, তুর্কি লিরা, সুইস ফ্রাঁ, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, কানাডিয়ান ডলার, নিউজিল্যান্ড ডলার, ইউএই দিরহাম ও দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ড) নির্দিষ্ট রেটে লোড করা যায়। ব্যবহার করার সময়, কার্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানীয় মুদ্রা নির্বাচন করে, যাতে সর্বোত্তম বিনিময় হার পাওয়া যায়। আর কার্ডে যদি স্থানীয় মুদ্রা না থাকে, তখন অন্য মুদ্রা থেকে অর্থ কেটে নেওয়া হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
কিউকেআর (QkR)
[সম্পাদনা]কিউকেআর (QkR) হচ্ছে মাস্টারকার্ড কর্তৃক তৈরি একটি মোবাইল পেমেন্ট অ্যাপ, যা যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় ব্যবহৃত হয়। এই অ্যাপ ব্যবহার করে স্মার্টফোনে বসেই বিভিন্ন পণ্য ও সেবা অর্ডার দেওয়া যায় এবং পেমেন্ট সংশ্লিষ্ট ক্রেডিট কার্ড থেকে কাটা হয়। এটি বড় বড় ইভেন্ট—যেমন, খেলাধুলার আসর, কনসার্ট, সিনেমা হল বা স্কুলে—ব্যবহারের জন্য চালু করা হয়েছে। মাস্টারকার্ডের অন্যান্য মোবাইল পেমেন্ট অ্যাপ যেমন পে পাসের মতো নয়, কারণ কিউকেআর ফোনের এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করে না; বরং ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে।
ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি খুলে, তাদের সামনের আসনের পিছনে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে নিজেদের পছন্দের খাবার-দাবার অর্ডার করতে পারেন।[১১০][১১১] অর্ডারটি কাছাকাছি কনসেশন স্ট্যান্ডে পাঠানো হয়।
কিউকেআর বিক্রেতাদের কাছে একটি বিকল্প মোবাইল পেমেন্ট ও অর্ডারিং অ্যাপ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। এটি দোকানদার নিজেরা (যেমন, স্টারবাকস-এর অ্যাপ, ম্যাকডোনাল্ডস-এর অ্যাপ বা চিপোটলে-এর অ্যাপ) বা তৃতীয় পক্ষ (যেমন, স্কয়ার, যার প্রধান টুইটার-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি) দ্বারা বিতরণ করা যেতে পারে।
মাস্টারকার্ড কনট্যাক্টলেস
[সম্পাদনা]
মাস্টারকার্ড কনট্যাক্টলেস (পূর্বের নাম পে পাস[১১২]) হচ্ছে একটি ইএমভি-সমর্থিত কনট্যাক্টলেস পেমেন্ট ফিচার, যা আমেরিকান এক্সপ্রেসের এক্সপ্রেসপে ও ভিসার পেওয়েভ-এর মতো। এই তিনটি কার্ডেই ডান পাশে দেখানো প্রতীক ব্যবহার করা হয়। এটি ISO/IEC 14443 মানের উপর ভিত্তি করে, যেখানে গ্রাহকরা কার্ড বা অন্যান্য পেমেন্ট ডিভাইস (যেমন, ফোন বা চাবির রিং) পয়েন্ট-অব-সেল টার্মিনালের ওপর ট্যাপ করেই সহজে পেমেন্ট করতে পারেন—কার্ড স্লাইড বা ঢোকানোর দরকার নেই। বর্তমানে, কনট্যাক্টলেস সুবিধা বিভিন্ন মুদ্রায় নির্দিষ্ট অঙ্ক পর্যন্ত লেনদেনে ব্যবহার করা যায়: ১০০ জিবিপি, ৫০ ইউরো, ৬০ বিএএম, ৮০ সিএইচএফ, ৫০ ডলার, ১০০ ক্যাড, ২০০ এসইকে, ৫০০ এনওকে, ১০০ পিএলএন, ৩৫০ ডিকেকে, ৮০ এনজেডডি, ১০০ এউডি, ১০০০ রুবল, ৫০০ ইউএএইচ, ৫০০ টিআরওয়াই, অথবা ৫০০০ আইএনআর, নির্ভর করে কার্ডের মুদ্রার ওপর, লেনদেনের মুদ্রার ওপর নয়।[১১৩]


২০০৩ সালে, মাস্টারকার্ড অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা-তে জেপিমরগ্যান চেজ, সিটিব্যাংক ও এমবিএনএ-এর সাথে একত্রে ৯ মাসব্যাপী পে পাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এতে ১৬,০০০-এর বেশি কার্ডধারী ও ৬০টির বেশি খুচরা বিক্রেতা অংশ নেয়।[হালনাগাদ প্রয়োজন] এছাড়া, মাস্টারকার্ড নোকিয়া ও নোকিয়া ৬১৩১,[১১৪] এটিঅ্যান্ডটি ওয়্যারলেস এবং জেপিমরগ্যান চেজের সঙ্গে কাজ করে মোবাইল ফোনে নিয়ার-ফিল্ড কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাস্টারকার্ড পে পাস সংযুক্ত করে, ডালাস, টেক্সাস-এ। ২০১১ সালে, গুগল ও মাস্টারকার্ড একত্রে গুগল ওয়ালেট চালু করে, যা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস থেকে পে পাস-সমর্থিত টার্মিনালে সরাসরি কার্ড তথ্য পাঠাতে পারে—ফলে ফিজিক্যাল কার্ডের দরকার হয় না, গুগল পে চালু হওয়া পর্যন্ত। ২০১৪ সালে, অ্যাপল আইওএস ডিভাইসের জন্য অ্যাপল পে চালু করে।
২০১৫ সালের শেষের দিকে, যুক্তরাষ্ট্রে সিটিকার্ডস পে পাস-সমর্থিত প্লাস্টিক কার্ড ইস্যু বন্ধ করে দেয়, তবে চাবির রিং (কি-ফব) চাইলে পাওয়া যেত। ১৬ জুলাই, ২০১৬ থেকে সিটিকার্ডস পুরোপুরি পে পাস বন্ধ করে দেয়। তখন পর্যন্ত বিদ্যমান প্লাস্টিক ও কি-ফব চলত মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত, তবে এরপর নতুন করে আর কোনো পে পাস কার্ড বা কি-ফব ইস্যু করা হয়নি।
ক্রিপ্টো
[সম্পাদনা]২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে, মাস্টারকার্ড ক্রিপ্টোকারেন্সি ফার্মগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব বিস্তৃত করার ঘোষণা দেয়। ঘোষণার সময়, প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে মিলে কিছু দেশে ক্রিপ্টো-সংযুক্ত কার্ড চালু করেছিল। যদিও তখন নিয়ন্ত্রক পরিবেশ কঠোর হচ্ছিল, তবুও মাস্টারকার্ড এ উদ্যোগ নেয়, বিশেষত তখন যখন প্রতিদ্বন্দ্বী ভিসা ২০২২ সালের নভেম্বরে এফটিএক্স-এর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে। মাস্টারকার্ড জানায়, তাদের "মাস্টারকার্ড ক্রিপ্টো ক্রেডেনশিয়াল" সেবা এমন দেশের মধ্যে লেনদেন সম্ভব করবে, যারা এফএটিএফ-এর "ট্রাভেল রুল" মেনে চলে, এবং এতে সাইফারট্রেস প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। তারা বিটটু মি, লিরিয়াম, মার্কাডো বিটকয়েন ও আপহোল্ড ওয়ালেট প্রদানকারীদের সঙ্গে কাজ করেছে। মাস্টারকার্ডের ক্রিপ্টো ও ব্লকচেইনের প্রধান, রাজ ধামোদরান বলেন, ভবিষ্যতে এনএফটি লেনদেনও এই সেবার মাধ্যমে সম্ভব হবে।[১১৫][১১৬]
ব্র্যান্ডিং
[সম্পাদনা]বছরের পর বছর ধরে নানা অ্যান্টিট্রাস্ট মামলা মাস্টারকার্ডের ব্র্যান্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।[১১৭]

মাস্টারকার্ডের বর্তমান বিজ্ঞাপন প্রচারণার মূল স্লোগান হলো প্রাইসলেস। এই প্রচারণা শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। ক্যাম্পেইনের মূল বার্তা হলো— কিছু জিনিস আছে, যা টাকা দিয়ে কেনা যায় না। বাকি সবকিছুর জন্য, আছে মাস্টারকার্ড।
বর্তমানে প্রাইসলেস ক্যাম্পেইন মাস্টারকার্ডের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড— দুই ধরনের পণ্যের জন্যই প্রযোজ্য। এছাড়া, মাস্টারকার্ড প্রাইসলেস ব্র্যান্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন সেবা প্রচার করে, যেমন তাদের প্রাইসলেস ট্রাভেল সাইট। সেখানে মাস্টারকার্ড গ্রাহকদের জন্য অফার ও ছাড় দেওয়া হয়।[১১৮] এছাড়া প্রাইসলেস সিটিজ নামে নির্দিষ্ট শহরের জন্যও বিশেষ অফার রয়েছে।[১১৯]
২০০৬ সালের মাঝামাঝি, মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল তাদের নাম পরিবর্তন করে মাস্টারকার্ড ওয়ার্ল্ডওয়াইড রাখে। এর উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির বৈশ্বিক পরিসর তুলে ধরা। একই সময়ে, কর্পোরেট লোগোতেও পরিবর্তন আসে— পুরাতন দুইটি বৃত্তের সঙ্গে একটি তৃতীয় বৃত্ত যুক্ত হয় (তবে পরিচিত কার্ড লোগো, যা ভেন ডায়াগ্রাম-এর মতো, তা অপরিবর্তিত থাকে)। একই সঙ্গে নতুন স্লোগান দেওয়া হয়—দ্য হার্ট অফ কমার্স (ব্যবসার হৃদয়)।[১২০]
২০১৬ সালের জুলাইয়ে, মাস্টারকার্ড নতুন রিব্র্যান্ডিং ও কর্পোরেট লোগো উন্মোচন করে। পাশাপাশি, কোম্পানির পরিষেবা নাম "MasterCard" থেকে ছোটহাতের "mastercard" করে ফেলে।[১২১]
২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, মাস্টারকার্ড তাদের লোগো থেকে নাম সরিয়ে দেয়; শুধুমাত্র দুইটি ওভারল্যাপিং ডিস্ক রেখে দেয়।[১২২]
২০২১ সালে, মর্নিং কনসাল্ট-এর সবচেয়ে বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের তালিকায় মাস্টারকার্ড ১৩ নম্বরে ছিল।[১২৩]
ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা
[সম্পাদনা]মাস্টারকার্ড সারা বিশ্বে বড় বড় ক্রীড়া ইভেন্ট ও দলকে স্পন্সর করে। এর মধ্যে রয়েছে রাগবির নিউজিল্যান্ড, এমএলবি, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং পিজিএ ট্যুর-এর আর্নল্ড পামার ইনভাইটেশনাল।
এর আগে, মাস্টারকার্ড ফিফা বিশ্বকাপ-এর স্পনসর ছিল, কিন্তু আদালতের রায়ের পর মাস্টারকার্ড চুক্তি থেকে সরে আসে এবং এর প্রতিদ্বন্দ্বী ভিসা ২০০৭ সালে চুক্তিটি পেয়ে যায়।[১২৪] ১৯৯৭ সালে মাস্টারকার্ড মাস্টারকার্ড লোলা ফর্মুলা ওয়ান দলের প্রধান স্পনসর ছিল,[১২৫] তবে আর্থিক সমস্যার কারণে ১৯৯৭ মৌসুমের প্রথম রেসেই কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হয়ে দলটি চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে সরে যায়।[১২৬]
দলটি জর্ডান গ্রাঁ প্রি-কেও ১৯৯৮ থেকে ২০০১ মৌসুম পর্যন্ত স্পনসর করেছিল। ২৪ জুলাই ২০২৪ সালে ঘোষণা আসে, মাস্টারকার্ড মাল্টি-ইয়্যার স্পনসরশিপ চুক্তির মাধ্যমে ম্যাকলারেন রেসিং-এর সঙ্গে চুক্তি করে এফ১-এ ফিরে আসছে।[১২৭]
এছাড়া, মাস্টারকার্ড ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল[১২৮] এবং কোপা লিবার্তাদোরেস-এরও পার্টনার।[১২৯]
মাস্টারকার্ড ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আলামো বোল-এর টাইটেল স্পনসর ছিল।
২০১৮ সালের শেষের দিকে, মাস্টারকার্ড লিগ অফ লেজেন্ডস ই-স্পোর্টস-এর প্রথম বড় স্পনসর হয়। কোম্পানিটি লিগ অফ লেজেন্ডস ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ, মিড-সিজন ইনভাইটেশনাল এবং লিগ অফ লেজেন্ডস-এর অল-স্টার ইভেন্ট স্পনসর করে।[১৩০]
২০১৮ সাল পর্যন্ত, মাস্টারকার্ড মেমোরিয়াল কাপ-এর স্পনসর ছিল, যা সিএইচএল-এর তিনটি লিগের বার্ষিক চ্যাম্পিয়নশিপ।
২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, মাস্টারকার্ড ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত সব আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ম্যাচের টাইটেল স্পনসরশিপ অধিকার লাভ করে।[১৩১][১৩২]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "মাস্টারকার্ড ইনকর্পোরেটেড ২০২৪ বার্ষিক প্রতিবেদন (ফর্ম ১০-কে)"। sec.gov। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ স্ট্যাম্পলার, লরা (৭ জানুয়ারি ২০১৯)। "মাস্টারকার্ড তাদের লোগো থেকে নাম সরিয়ে ফেলেছে"। Fortune (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "মাস্টারকার্ড ইনকর্পোরেটেড ২০১৬ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিক ও পূর্ণ বছরের আর্থিক ফলাফল"। মাস্টারকার্ড। ২৪ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৭।
- ↑ "মাস্টারকার্ড কর্পোরেট মাইলস্টোনস"। ১৪ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৯।
- ↑ Nocera, Joseph (১৯৯৪)। A Piece of the Action: How the Middle Class Joined the Money Class (২০১৩ পেপারব্যাক সংস্করণ)। নিউ ইয়র্ক: Simon & Schuster। পৃ. ৩১। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৭৬৭৪৪৮৯৬।
- ↑ Stearns, David L. (২০১১)। Electronic Value Exchange: Origins of the Visa Electronic Payment System। লন্ডন: Springer। পৃ. ২৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৯৯৬-১৩৮-৭। Available through SpringerLink.
- 1 2 3 Stearns, David L. (২০১১)। Electronic Value Exchange: Origins of the Visa Electronic Payment System। লন্ডন: Springer। পৃ. ২৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৯৯৬-১৩৮-৭। Available through SpringerLink.
- 1 2 3 Stearns, David L. (২০১১)। Electronic Value Exchange: Origins of the Visa Electronic Payment System। লন্ডন: Springer। পৃ. ২৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৯৯৬-১৩৮-৭। Available through SpringerLink.
- 1 2 3 Stearns, David L. (২০১১)। Electronic Value Exchange: Origins of the Visa Electronic Payment System। লন্ডন: Springer। পৃ. ১৯। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৯৯৬-১৩৮-৭। Available through SpringerLink.
- 1 2 Jennings, Robert (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫)। "ক্রেডিট কার্ড ইন্ডাস্ট্রি তিন পথিকৃৎকে সম্মান জানাবে"। American Banker। পৃ. ১২। Available through ProQuest.
- 1 2 Loomis, Jay (২৮ নভেম্বর ২০০৬)। "মাস্টারকার্ডের ৪০ বছর"। The Journal News। পৃ. C৭। Available through ProQuest.
- 1 2 3 "কার্ল এইচ. হিঙ্কে, মাস্টারকার্ডের পথিকৃৎ"। এপি। ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯০। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০২১।
- 1 2 3 Stearns, David L. (২০১১)। Electronic Value Exchange: Origins of the Visa Electronic Payment System। লন্ডন: Springer। পৃ. ২৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৯৯৬-১৩৮-৭। Available through SpringerLink.
- 1 2 "মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনক.-এর ইতিহাস"। Funding Universe। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২০।
- ↑ Harper, Gavin (১২ জুলাই ২০১০)। হোলোগ্রাফি প্রকল্প সমূহ ফর দ্য ইভিল জিনিয়াস। McGraw-Hill। পৃ. ৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-০৭-১৬২৪০০-৮।
- ↑ "ব্র্যান্ড ইতিহাস"। মাস্টারকার্ড ব্র্যান্ড সেন্টার। ৮ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ "মাস্টারকার্ড ও ইউরোপে একীভূত হয়ে গ্লোবাল পেমেন্টস কোম্পানি গঠন করেছে"। BankTech। ১৬ জুলাই ২০০২। ১৪ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২০।
- 1 2 3 Fleischer, Victor (৮ মার্চ ২০০৬)। "দ্য মাস্টারকার্ড আইপিও: দ্য প্রাইসলেস ব্র্যান্ড সুরক্ষা"। হার্ভার্ড নেগোসিয়েশন ল রিভিউ – SSRN এর মাধ্যমে।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "মাস্টারকার্ড আইপিও ডিসকাউন্ট মূল্যের চেয়ে ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে"। মার্কেটওয়াচ। ২৫ মে ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "ইয়াহু ফাইন্যান্স"। Yahoo.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Spillane, Chris (১৯ আগস্ট ২০১০)। "মাস্টারকার্ড ৩৩৩ মিলিয়ন পাউন্ডে ডেটাক্যাশ অধিগ্রহণ করছে"। Bloomberg.com। ব্লুমবার্গ। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১২।
- ↑ Farrell, Sean (১৯ আগস্ট ২০১০)। "মাস্টারকার্ড ৩৩৩ মিলিয়ন পাউন্ডে ব্রিটিশ অনলাইন পেমেন্ট কোম্পানি ডেটাক্যাশ কিনে নিয়েছে"। দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। লন্ডন। ৩০ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১২।
- ↑ Rima Ali Al Mashni (৭ মার্চ ২০১২)। "কাতারে প্রথম মোবাইল নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) পেমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করেছে কিউএনবি গ্রুপ, কিউটেল, ওবারথুর ও মাস্টারকার্ড"। এএমইইনফো ডটকম। ৯ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১২।
- ↑ "মাস্টারকার্ড পিনপয়েন্ট অধিগ্রহণ করছে"। Biharprabha.com। ১৭ এপ্রিল ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "মাস্টারকার্ড ব্রাইটেরিয়ন অধিগ্রহণের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে"। newsroom.mastercard.com। ২৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- ↑ "অ্যাসাইনি ব্রাইটেরিয়ন, ইনক.-এর পেটেন্ট"। Justia Patents Search। ৭ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
- ↑ Alexis Benveniste। "সবুজ উদ্যোগে মাস্টারকার্ডের নতুন কার্বন ক্যালকুলেটর চালু"। CNN। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ Paybarah, Azi (৫ মার্চ ২০২২)। "মাস্টারকার্ড ও ভিসা রাশিয়ায় কার্যক্রম স্থগিত করেছে"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। ৫ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০২২।
- ↑ "চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মাস্টারকার্ড যৌথ কোম্পানিকে ব্যাংক কার্ড ক্লিয়ারিং লাইসেন্স দিয়েছে"। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (Chinese (China) ভাষায়)। ১৯ নভেম্বর ২০২৩। ১৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ "নতুন মাস্টারকার্ড চালু! একাধিক ব্যাংকে পাওয়া যাচ্ছে"। সিনা ফাইন্যান্স। ১২ মে ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৪।
- ↑ "মাস্টারকার্ড ২.৬৫ বিলিয়ন ডলারে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করেছে"। Payments Dive। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- 1 2 3 "KONA I মাস্টারকার্ড অনুমোদনপত্র পেয়েছে IDEX Pay বায়োমেট্রিক কার্ডের জন্য"। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- 1 2 "ইবিএল, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশে 'বিশ্বের প্রথম' বায়োমেট্রিক মেটাল ক্রেডিট কার্ড চালু করেছে"। ৫ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 "ইবিএল, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশে বিশ্বের প্রথম বায়োমেট্রিক মেটাল কার্ড চালু করেছে"। ৬ জুলাই ২০২৫।
- ↑ "বাংলাদেশে বায়োমেট্রিক পেমেন্ট কার্ড চালু, মাস্টারকার্ড অনুমোদন দিয়েছে"। ২২ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ "মাস্টারকার্ড আর্থিক বিবরণী ২০০৫–২০১৮ | এমএ"। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৮।
- ↑ "মাস্টারকার্ড"। ফরচুন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- 1 2 3 4 ডানকান, ম্যালোরি (১০ জুলাই ২০১২)। "ক্রেডিট কার্ড বাজার অন্যায্য, প্রতিযোগিতাহীন"। রোল কল।
- ↑ টি-মোবাইল, ওয়্যারলেস ক্যারিয়ার এবং অলিগোপলি ব্যবসার পদ্ধতি। দ্য নিউ ইয়র্কার। ৩০ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ ভিসা/মাস্টারকার্ড মামলা ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৬ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে, ১ জানুয়ারি ১৯৯৬।
- ↑ www.inrevisacheckmastermoneyantitrustlitigation.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৯ আগস্ট ২০১৩ তারিখে। ১৩ জুলাই ২০১১ তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ "জোশুয়া রুবিন ও জোসেফ ফিলিপস বনাম মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি"। ১০ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০২১।
- ↑ "আমেরিকান এক্সপ্রেস মাস্টারকার্ড ও ভিসার বিরুদ্ধে মামলা করেছে"। এনবিসি নিউজ। ১৫ নভেম্বর ২০০৪।
- ↑ ড্যাশ, এরিক (২৬ জুন ২০০৮)। "মাস্টারকার্ড আমেরিকান এক্সপ্রেসকে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫।
- ↑ "ক্লাস সেটেলমেন্ট প্রাথমিক অনুমোদন আদেশ, পৃষ্ঠা ১১" (পিডিএফ)। যুক্তরাষ্ট্র জেলা আদালত। ২৭ নভেম্বর ২০১২। ৩ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৯।
- 1 2 Longstreth, Andrew (১৩ ডিসেম্বর ২০১৩)। "বিচারক ক্রেডিট কার্ড সুইপ ফি সংক্রান্ত সমঝোতা অনুমোদন করেছেন"। এনবিসি নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Kiesche, Liz (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "ভিসা, মাস্টারকার্ড ৬.২৪ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতা আদালত থেকে প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে"। সিকিং আলফা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৯।
- ↑ "পেমেন্ট কার্ড ইন্টারচেঞ্জ ফি সেটেলমেন্ট"। paymentcardsettlement.com। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২২।
- ↑ ভানেক, স্টেসি। (৪ অক্টোবর, ২০১০) ভিসা, মাস্টারকার্ড সমঝোতা মানে ব্যবসায়ীদের জন্য বেশি স্বাধীনতা | মার্কেটপ্লেস ফ্রম আমেরিকান পাবলিক মিডিয়া ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ২৭, ২০১১ তারিখে. marketplace.publicradio.org. সংগ্রহের তারিখ: ১৩ জুলাই, ২০১১।
- ↑ "এটিএম অপারেটররা ভিসা ও মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা বিরোধী মামলা করেছে" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। PR Newswire। ১২ অক্টোবর ২০১১।
- ↑ "অ্যান্টিট্রাস্ট: কমিশনার ক্রোস মাস্টারকার্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে স্বাগত জানান"। ইউরোপীয় কমিশন (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ১ এপ্রিল ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "Forexhound.com"। ৭ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ Remy, Pauline de Saint (৮ ডিসেম্বর ২০১০)। "উইকিলিকস—রাশিয়ায়, ভিসা ও মাস্টারকার্ড বিতর্কিত আলোচনায়"। Le Point।
- ↑ "উইকিলিকস কেবল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র "রাশিয়ায় ভিসা ও মাস্টারকার্ডের পক্ষে লবিং করেছে""। দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ Dekker, Vincent (৯ ডিসেম্বর ২০১০)। "ইউরোপে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ" [Concerns about Visa and Mastercard dominance in Europe]। ট্রাউ (ওলন্দাজ ভাষায়)। ১৭ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২২।
- 1 2 Chee, Foo Yun (৯ এপ্রিল ২০১৩)। "পেমেন্ট কার্ড ফি নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচনার মুখে মাস্টারকার্ড"। ফক্স বিজনেস। রয়টার্স। ২৯ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "অ্যান্টিট্রাস্ট: সীমান্ত-পার কার্ড পেমেন্ট সেবায় বাধা দেওয়ায় মাস্টারকার্ডকে ৫৭০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা"। europa.eu। ব্রাসেলস: ইউরোপীয় কমিশন। ২২ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "পিএসআর প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে প্রিপেইড কার্ড বাজারে পাঁচটি কোম্পানি কার্টেল আচরণে জড়িত"। ইউকে পেমেন্ট সিস্টেমস রেগুলেটর। ৩১ মার্চ ২০২১।
- ↑ "ইন্টারনেট জুয়া: বিষয়সমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ"। govinfo.gov (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২২।
- ↑ "ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অফ লুইজিয়ানা - ১৩২ এফ. সাপ. ২ডি ৪৬৮ (ই.ডি. লা. ২০০১) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০০১"। law.justia.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২২।
- ↑ "অফ দ্য বোর্ড: এনসিএএ বনাম ক্রিস্টি, পেশাদার ও অপেশাদার ক্রীড়া সুরক্ষা আইন নিয়ে কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ" (পিডিএফ)। pennstatelawreview.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২২।
- ↑ "মাস্টারকার্ড স্পোর্টস বেটিং সাইটসমূহ"। sportsbetting3.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২২।
- ↑ "মাস্টারকার্ড FAQ – স্পোর্টস জুয়া" (পিডিএফ)। icba.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২২।
- ↑ "মাস্টারকার্ড কুইক রেফারেন্স বুকলেট - মার্চেন্ট" (পিডিএফ)। mastercard.us (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০২২।
- ↑ McCullagh, Declan. (ডিসেম্বর ৯, ২০১০) মাস্টারকার্ড উইকিলিকসের পেমেন্ট বন্ধ করেছে | Privacy Inc. – CNET News ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ডিসেম্বর ২৯, ২০১৩ তারিখে. news.cnet.com. সংগ্রহ: ১৩ জুলাই, ২০১১।
- ↑ Addley, Esther (৮ ডিসেম্বর ২০১০)। "উইকিলিকস "প্রতিশোধে" হ্যাকাররা মাস্টারকার্ড সাইট আংশিকভাবে বন্ধ করেছে; "অপারেশন: পেব্যাক" মাস্টারকার্ড সাইটে আক্রমণ চালায়"। দ্য গার্ডিয়ান। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "হ্যাকারদের দ্বারা মাস্টারকার্ড বন্ধ"। দ্য রেজিস্টার। ৮ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ "মাস্টারকার্ড অনিরাপদ? "অ্যানোনিমাস" উইকিলিকস সমর্থকরা প্রাইভেসি লঙ্ঘনের দাবি করেছে"। হাফিংটন পোস্ট। ৮ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১১।
- ↑ "উইকিলিকস "ডেটা যুদ্ধ" দ্রুততর হচ্ছে"। BBC News। ৭ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ "ডিডিওএস আক্রমণ নিয়ে বিবৃতি"। wikileaks.ch। ১০ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান উইকিলিকস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন"। এক্সপ্যাটিকা সুইজারল্যান্ড। এএফপি। ৯ ডিসেম্বর ২০১০। ৪ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "ডেটাসেল ও উইকিলিকসের পক্ষ থেকে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ"। DataCell (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ মার্চ ২০১১। ২৪ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১১।
- ↑ "ভিসা ও মাস্টারকার্ড আবারও উইকিলিকসে অনুদান স্থগিত করেছে | RSF"। rsf.org (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ A. O. L. Staff (৫ আগস্ট ২০২০)। "উইকিলিকস নিয়ে মাস্টারকার্ড ও ভিসার বিরুদ্ধে আইনি লড়াই হতে পারে"। www.aol.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ Sayer, Peter (৮ জুলাই ২০১১)। "ভিসা ডেটাসেলের মাধ্যমে উইকিলিকসে অনুদান আবারও বন্ধ করেছে"। নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ "ডেটাসেল ইউরোপীয় কমিশনে অভিযোগ দাখিল করেছে ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে", datacell.com, ১৪ জুলাই ২০১১। সংগ্রহ: ৫ আগস্ট ২০১২।
- ↑ "উইকিলিকস দানের জন্য গেটওয়ে খুলতে বাধ্য" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৫ জুলাই ২০১২ তারিখে" (সুইডীয় ভাষায়) সেভেরিজেস টেলিভিশন, ১২ জুলাই ২০১২। সংগ্রহ: ৩০ জুলাই ২০১২।
- ↑ "রেইকিয়াভিক জেলা আদালতের রায়, ১২ জুলাই ২০১২, মামলা নম্বর E-561/2012: Datacell ehf.", ইংরেজি অনুবাদ। ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে. সংগ্রহ: ৯ নভেম্বর ২০১২।
- ↑ উইকিলিকস আইসল্যান্ডিক আদালতে ভিসার বিরুদ্ধে মামলা জয় করে | থ্রেট লেভেল। Wired.com।
- ↑ "স্ক্যান্ডাল: নাইজেরিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্রে মাস্টারকার্ডের লোগো নিয়ে ক্ষোভ"। Premium Times। ২৯ আগস্ট ২০১৪।
প্রেসিডেন্ট জোনাথন এই কার্ড উন্মোচন করেন এবং জানান, NIMC, মাস্টারকার্ড ও অ্যাক্সেস ব্যাংকের অংশীদারিত্বের ফলে এই কার্ড এসেছে। "এই কার্ড শুধু পরিচয়ের প্রমাণ নয়, এটি ব্যক্তিগত ডেটাবেস ও পেমেন্ট কার্ড, সবকিছু একসঙ্গে আপনার কাছে," বলেন জোনাথন।
- ↑ "স্ক্যান্ডাল: নাইজেরিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্রে মাস্টারকার্ডের লোগো নিয়ে ক্ষোভ"। Premium Times। ২৯ আগস্ট ২০১৪।
নতুন আইডি কার্ডে মাস্টারকার্ডের লোগো থাকাটা কোনো নাইজেরিয়ানের পরিচয় নয়। বরং এটি একজন আমেরিকান কোম্পানির মালিকানা প্রতীক," বলেন শেহু সানি নাগরিক অধিকার সংস্থার তরফে। "এটি আফ্রিকান দাসদের [সিক] শরীরে লোগো লাগানোর ইতিহাসের মতো।
- ↑ Liao, Shannon (৩০ আগস্ট ২০১৮)। "গুগল অনলাইনে বিজ্ঞাপন ও অফলাইন কেনাকাটার তথ্য মেলাতে মাস্টারকার্ডের তথ্য কিনেছে"। দ্য ভার্জ (ইংরেজি ভাষায়)।
- ↑ "রহস্যে গোপন চুক্তি: গুগল ও মাস্টারকার্ডের বিজ্ঞাপন নজরদারি"। ব্লুমবার্গ.কম (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "ভারতে মাস্টারকার্ড-এর বিরুদ্ধে আরবিআই-এর ব্যবস্থা | ইন্ডিয়া বিজনেস নিউজ – টাইমস অফ ইন্ডিয়া"। টাইমস অফ ইন্ডিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ জুলাই, ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৩-০৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "ভারতের রিজার্ভ ব্যাংক - প্রেস বিজ্ঞপ্তি"। www.rbi.org.in। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২২।
- ↑ "মাস্টারকার্ডের ওপর আরোপিত ব্যবসায়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল আরবিআই"। মানিকন্ট্রোল (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ জুন, ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-০৬-১৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ হাং, থয় বাো ন্গান (১৩ অক্টোবর ২০২০)। "মাস্টারকার্ড ও NAPAS-এর সংযোগ চালু"। থয় বাো ন্গান হাং (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ tphcm.chinhphu.vn (১৩ অক্টোবর ২০২০)। "মাস্টারকার্ড ও NAPAS-এর সংযোগ চালু"। tphcm.chinhphu.vn (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ VnExpress। "NAPAS ও মাস্টারকার্ড সংযোগ চালু করেছে"। vnexpress.net (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ হুঙ, নগক (২২ জুলাই ২০২৩)। "চীনে আলিপে ও উইচ্যাট পে আন্তর্জাতিক কার্ড গ্রহণ করছে"। তাপ চি কিন টে সাই গন (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ কুয়ক, বাও (২ নভেম্বর ২০২১)। "মাস্টারকার্ড গিফট কার্ড"। laodong.vn (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ VCCorp.vn (১১ মার্চ ২০২২)। "ভবিষ্যতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে আগ্রহ বাড়ছে"। cafef (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ হুং -, ডাও (২৩ মার্চ ২০২২)। "ভিয়েতনামে স্থানীয় ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে"। নিপ সঙ কিন টে ভিয়েতনাম ও বিশ্ব (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ VnExpress। "অনলাইন পেমেন্ট কার্ড ব্যবহারে নিরাপত্তা টিপস"। vnexpress.net (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ ONLINE, TUOI TRE (১২ আগস্ট ২০২২)। "মাস্টারকার্ডের এশিয়া-প্যাসিফিক কনফারেন্স"। TUOI TRE ONLINE (ভিয়েতনামী ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ ফ্রিডম্যান, গিলিয়ান (১০ ডিসেম্বর ২০২০)। "মাস্টারকার্ড ও ভিসা তাদের কার্ড ব্যবহার করে পর্নহাবে পেমেন্ট বন্ধ করেছে"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন ০৩৬২-৪৩৩১। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|issn=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ ক্লার, রেবেকা (১০ ডিসেম্বর ২০২০)। "মাস্টারকার্ড ও ভিসা পর্নহাবে তাদের কার্ড ব্যবহার বন্ধ করবে"। দ্য হিল (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ রড্রিগো, ক্রিস মিলস (১৪ এপ্রিল ২০২১)। "মাস্টারকার্ড প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তু বিক্রেতাদের জন্য নীতিমালা আপডেট করেছে"। দ্য হিল (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩।
- 1 2 হলস্টন-জানেল, লালা বি. (১৫ অক্টোবর ২০২১)। "কিভাবে মাস্টারকার্ডের নতুন নীতিমালা যৌনকর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করে | এসিএলইউ"। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ "যৌনকর্মী ও আইনজীবীরা মাস্টারকার্ডের বিরুদ্ধে ফেডারেল ট্রেড কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে"। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ "মাস্টারকার্ড ইনক.-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ" (পিডিএফ)। ৩১ আগস্ট ২০২৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "মাস্টারকার্ডের তিনটি স্তর: স্ট্যান্ডার্ড, ওয়ার্ল্ড ও ওয়ার্ল্ড এলিট – ফোর্বস অ্যাডভাইজর"। www.forbes.com। ৯ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ মার্টিন, অ্যান্ড্রু (৮ এপ্রিল ২০১০)। "মাস্টারকার্ড অনলাইন শপিং মল চালু করতে যাচ্ছে"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।
- ↑ "অ্যাপল পেমেন্ট নেটওয়ার্কের সঙ্গে অংশীদার হয়ে আইফোনকে ওয়ালেটে পরিণত করেছে"। SanDiegoNews.net। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪। ৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৪।
- ↑ কীজ, ড্যানিয়েল। "মাস্টারকার্ড তাদের B2B পেমেন্ট সার্ভিস চালু করেছে"। বিজনেস ইনসাইডার। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০২০।
- ↑ "বিটকয়েনের বড় মুহূর্ত: মাস্টারকার্ডও যুক্ত হচ্ছে"। সিএনএন। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ "কেন মাস্টারকার্ড তাদের নেটওয়ার্কে ক্রিপ্টো আনছে"। মাস্টারকার্ড। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ সন, হিউ (২৫ অক্টোবর ২০২১)। "মাস্টারকার্ড জানিয়েছে, তাদের নেটওয়ার্কের যেকোনো ব্যাংক বা মার্চেন্ট শীঘ্রই ক্রিপ্টো সেবা দিতে পারবে"। সিএনবিসি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "মাস্টারকার্ড এখন ব্যবহারকারীদের এনএফটি কেনার সুযোগ দিচ্ছে"। finance.yahoo.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১০ জুন ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২২।
- ↑ "মাস্টারকার্ডের কিউকেআর মোবাইল পেমেন্ট সিস্টেম অস্ট্রেলিয়ায় ট্রায়ালে"। ২৭ জানুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "মাস্টারকার্ড কিউকেআর মোবাইল পেমেন্ট অ্যাপ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে"। ২৬ জানুয়ারি ২০১২। ২৩ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "নাম পরিবর্তন ও রিব্র্যান্ডিংয়ের কারণে মাস্টারকার্ড কনট্যাক্টলেস (পূর্বে পে পাস) ডকুমেন্টেশন স্থানান্তরিত হয়েছে"। Mastercard। ৮ মার্চ ২০১৫। ৮ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "তেমাসিজ শিফ্রে লিমিট নতুন হয়েছে; তুরস্কে কনট্যাক্টলেস কার্ডের পিন ছাড়া লেনদেন সীমা ৫০০ টিআরওয়াই-এ উন্নীত" [Contactless Password Limit Renewed; Unencrypted transaction limit for contactless cards increased to 500 Turkish lira]। tr:Bankalararası Kart Merkezi (তুর্কি ভাষায়)। ১৪ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ "নোকিয়া ৬১৩১ এনএফসি – টাচ-টু-পে ক্রেডিট কার্ড মোবাইল ফোন বাজারে আসছে"। ২২ নভেম্বর ২০০৭।
- ↑ Howcroft, Elizabeth (২৮ এপ্রিল ২০২৩)। "মাস্টারকার্ড ক্রিপ্টো কার্ড অংশীদারিত্ব বিস্তৃত করতে চায়"। Reuters (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৩।
- ↑ "ব্লকচেইন লেনদেনে আস্থা বাড়াতে মাস্টারকার্ডের উদ্যোগ"। Finextra Research (ইংরেজি ভাষায়)। ১ মে ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২৩।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; ":02" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "প্রাইসলেস ট্রাভেল"। মাস্টারকার্ড ইউকে। ৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১১।
- ↑ মাস্টারকার্ড প্রাইসলেস সিটিজ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে। Mastercard.co.uk (৩০ আগস্ট ২০১২)।
- ↑ Loomis, Jay (২৮ জুন ২০০৬)। "মাস্টারকার্ড নাম পরিবর্তন করছে"। দ্য জার্নাল নিউজ। হোয়াইট প্লেইনস, নিউ ইয়র্ক। ১৬ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০০৬।
- ↑ Olenski, Steve। "মাস্টারকার্ডের নতুন লোগোর পেছনের গল্প"। Forbes (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৮।
- ↑ Diaz, Ann-Christine (২১ জানুয়ারি ২০১৯)। ""প্রাইসলেস" থেকে "নামহীন": মাস্টারকার্ড তাদের লোগো থেকে নাম সরিয়ে ব্র্যান্ডিংয়ে নতুন ধারা আনে"। অ্যাডভারটাইজিং এইজ। খণ্ড ৯০ নং ২। পৃ. ২০।
- ↑ "মর্নিং কনসাল্ট-এর মোস্ট ট্রাস্টেড ব্র্যান্ডস ২০২১"। মর্নিং কনসাল্ট (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০২১।
- ↑ ভিসা ১৭০ মিলিয়ন ডলারে ফিফার সঙ্গে চুক্তি করেছে। বিবিসি নিউজ (২৮ জুন ২০০৭)। সংগৃহীত ১৩ জুলাই ২০১১।
- ↑ Collins, S. S. (২০০৭)। Unraced...: ফর্মুলা ওয়ানের হারিয়ে যাওয়া গাড়ি (ইংরেজি ভাষায়)। ভেলোস পাবলিশিং লিমিটেড। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪৫৮৪০৮৪৬।
- ↑ "ব্রিং ব্যাক V10s পডকাস্ট: লোলার দুর্ভাগা ১৯৯৭ সালের এফ১ দল"। The Race। The Race Media। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
- ↑ "মাস্টারকার্ড ম্যাকলারেনের সঙ্গে চুক্তিতে এফ১-এ ফিরে আসছে"। ২৪ জুলাই ২০২৪।
- ↑ "পোর্টাল সিবিএফ"। কনফেডারাকাও ব্রাজিলেইরা দি ফুটবল (পর্তুগিজ ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯।
- ↑ "কোপা লিবার্তাদোরেস – খবর, লাইভ স্কোর, ফলাফল ও ম্যাচসমূহ"। www.copalibertadores.com (স্পেনীয় ভাষায়)। ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৯।
- ↑ "মাস্টারকার্ড 'লিগ অফ লেজেন্ডস'-এর প্রথম গ্লোবাল পার্টনার"। মাস্টারকার্ড নিউজরুম। ৮ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- ↑ "ভারতের সব আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট ম্যাচে মাস্টারকার্ড টাইটেল স্পনসর"। www.bcci.tv (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২।
- ↑ "ভারতের আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ম্যাচে মাস্টারকার্ড টাইটেল স্পনসর"। NDTVSports.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ব্যবসায়িক তথ্য
- নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- উদ্ধৃতি শৈলীতে Chinese (China) ভাষার উৎস (zh-cn)
- উদ্ধৃতি শৈলী ত্রুটি: আইএসএসএন
- মাস্টারকার্ড
- ক্রেডিট কার্ড
- ক্রেডিট কার্ড ইস্যুকারী অ্যাসোসিয়েশন
- যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান
- কনট্যাক্টলেস স্মার্ট কার্ড
- অনলাইন পেমেন্ট
- যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সমবায়
- যুক্তরাষ্ট্রে সদর দপ্তরকৃত বহুজাতিক কোম্পানি
- নিউ ইয়র্ক (অঙ্গরাজ্য)-এর আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান
- পারচেজ, নিউ ইয়র্ক-এ অবস্থিত কোম্পানি
- ১৯৬৬-এ প্রতিষ্ঠিত আমেরিকান কোম্পানি
- ১৯৬৬-এ প্রতিষ্ঠিত আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান
- নিউ ইয়র্ক (অঙ্গরাজ্য)-এ ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত
- নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ-এ তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- ২০০৬ সালের প্রাথমিক পাবলিক অফারিং
- ডাও জোন্স গ্লোবাল টাইটান্স ৫০-এর কোম্পানি